January 18, 2022, 7:17 am

শিরোনাম :
মুন্সীগঞ্জ‌ে মিরকা‌দিম পৌরবাসীরা কি স্বাস্থ্য সম্মত গরুর মাংস খাচ্ছে? জ্বালানি থেকে বাড়তি টাকা তুলে সড়ক সংস্কার করা হবে নাসিকে ভোটযুদ্ধ আজ ॥ নিরাপত্তার চাদরে ঢাকা গোটা নির্বাচনী এলাকা বাংলাদেশ থেকে দ্বিগুণ ইন্টারনেট ব্যান্ডউইডথ নেবে ভারত হটলাইনে চার মিনিটেই পর্চা-মৌজা ম্যাপের আবেদন শৈলকুপায় সামাজিক আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে যুবকে পিটিয়ে হত্যা নির্বাচনী সহিংসতায় আহত ব্যক্তির মৃত্যু ঝিনাইদহের শৈলকুপায় নির্বাচনি সহিংসতায় নিহত ৬ লামার কোয়ান্টাম ফাউন্ডেশনে সাড়ে তিন হাজার কন্ঠে উচ্চারিত ‘ইনশাল্লাহ সব সম্ভব’ শত্রুতার আগুনে পুড়ে পুড়ল ৮ দোকান নাইক্ষ্যংছড়ি পাহাড় থেকে অস্ত্র-গুলিসহ ৪ রোহিঙ্গা সন্ত্রাসী গ্রেপ্তার
Uncategorized
পরিবর্তনের ধারায় ছাত্র রাজনীতি

পরিবর্তনের ধারায় ছাত্র রাজনীতি

পরিবর্তনের ধারায় ছাত্র রাজনীতি

গল্পটা ২৭ বছর অাগের। ১৯৯০ সালে হয়েছিল সর্বশেষ ডাকসু নির্বাচন। তারপর একে একে কেটে গেছে ২৭ টি বছর। এই বছর গুলোতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ঘটেছে নানা ঘটনা। পরিবর্তন এসেছে অনেক কিছুর। সৃষ্টির উল্লাসে গড়ে উঠেছে অসংখ্য অট্টালিকা। বরণ করেছে অগণিত শিক্ষার্থী অাবার বিদায় ও দিয়েছে তাদের। এই ২৭ টি বছরে বিশ্ববিদ্যালয় দেখেছে ৫ টি সরকারকে। পেয়েছে ১০ জন ভিসি। কিন্তু পায়নি ছাত্রদের বহুল আকাঙ্ক্ষিত ডাকসু নির্বাচন। দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসানের পর ২০১৯ সালে এসেছে সেই মাহেন্দ্রক্ষণ। ডাকসু দেখেছে আলোর মুখ। সব শঙ্কা কাটিয়ে ডাকসু নির্বাচন আজ সময়ের অপেক্ষায়। আর এই নির্বাচন হওয়ায় সব থেকে বড় ভূমিকা রেখেছে সরকার ও সরকার সমর্থিত ছাত্রলীগ। ছাত্রলীগের বর্তমান কমিটি ইঙ্গিত বড় ধরনের পরিবর্তনের।তারই ধারাবাহিকতায় ডাকসু নির্বাচন আজ আলোর মুখ দেখছে। এটা সত্যি যে, ছাত্রলীগ চাইলে নির্বাচন অসম্ভবই হতো। ১৯৯০ সাল থেকে কয়েক বছর ডাকসু নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা হওয়া সত্ত্বেও নির্বাচন হয়নি একটিমাত্র কারণে। আর সেটা হলো সরকার বিরোধী অন্যান্য ছাত্র সংগঠনগুলোকে ক্যাম্পাসে অবস্থান করতে না দেওয়া। মূলত এই একটি ইস্যুতেই ডাকসু নির্বাচন সম্ভব হয়নি।

একটু পিছনে ফিরে তাকালে দেখব ১৯৯১ সালে তফসিল ঘোষণা হওয়া সত্ত্বেও বিরোধী দলীয় ছাত্র সংগঠন ছাত্রলীগকে ক্যাম্পাসে সহাবস্থান করতে না দেওয়ায় ছাত্রলীগ নির্বাচন বয়কট করে। আবার ১৯৯৬ সালে ছাত্রদলকে ক্যাম্পাসে অবস্হান করতে দেয়নি বলে তারা নির্বাচন থেকে সরে এসেছে। কিন্তু বর্তমানে যেহেতু ছাত্রলীগ ক্যাম্পাসে অন্যান্য ছাত্র সংগঠনগুলোর সহাবস্থান নিশ্চিত করে ডাকসু নির্বাচন করার ব্যাপারে প্রশাসনকে সর্বাত্মক সহযোগিতা করেছে এজন্য ছাত্রলীগ ধন্যবাদ পাওয়ার যোগ্য।
দুই.
বলেছিলাম পরিবর্তনের কথা। ছাত্রলীগের নির্বাচনী ইশতেহারগুলো বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, তাদের প্রথম প্রতিশ্রুতি হলো আবাসন সংকট নিরসন। সান্ধ্যকালীন কোর্সের ও অধিভুক্ত ৭ কলেজের ব্যাপারে পূনর্বিবেচনা। এছাড়াও খাবারের মান উন্নয়ন, চিকিৎসা-স্বাস্থ্য , উন্নত পরিবহন সেবা সহ নানা প্রতিশ্রুতি দিচ্ছে। যেহেতু ছাত্রলীগে পরিবর্তনের জোয়ার বইছে সেহেতু আমার ধারনা তারা তাদের প্রতিশ্রুতি কে ব্যানার বা ফেস্টুনের মাঝেই সীমাবদ্ধ রাখবে না। বাস্তবে প্রয়োগ করে দেখাবে। আর যেহেতু ছাত্রলীগ সরকার সমর্থিত প্যানেল তাই তারা চাইলে তাদের প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন খুব সহজেই সম্ভব।
আরেকটি বিষয় ডাকসু নির্বাচনকে সামনে রেখে ছাত্রলীগ যেভাবে সাধারণ শিক্ষার্থীদের সাথে মিশছে তাতে বাংলাদেশের রাজনীতিতে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা হতে যাচ্ছে।একটি কথা দিয়ে শেষ করতে চাই ছাত্রলীগের প্রতিশ্রুতি গুলো সংরক্ষণ করে রাখুন। এক বছর পর মিলিয়ে দেখবেন কতটুকু বাস্তবায়ন হয়েছে। আমি বলছি না ছাত্রলীগের প্যানেলকে ভোট দিন তবে এটা বলতে পারি, আপনার স্বপ্নের বিশ্ববিদ্যালয় কে বাস্তবে রূপান্তর করতে ছাত্রলীগের বিকল্প নেই।

লেখক :
মোঃ হোসেন
ইসলামী ইতিহাস বিভাগ।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।

শেয়ার করুন




গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের তথ্য মন্ত্রণালয়ের অধীনে বিধি মোতাবেক আবেদিত
Design & Developed BY ThemesBazar.Com