January 27, 2022, 12:12 pm

শিরোনাম :
নিয়োগের চূড়ান্ত সুপারিশপত্র পেলেন ৩৪ হাজার ৭৩ জন শিক্ষক মুন্সীগঞ্জ‌ে মিরকা‌দিম পৌরবাসীরা কি স্বাস্থ্য সম্মত গরুর মাংস খাচ্ছে? আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা ও গণঅভ্যুত্থান ঈদগাঁওতে ২৫ লিটার দেশীয় চোলাই মদসহ আটক-২ জ্বালানি থেকে বাড়তি টাকা তুলে সড়ক সংস্কার করা হবে নাসিকে ভোটযুদ্ধ আজ ॥ নিরাপত্তার চাদরে ঢাকা গোটা নির্বাচনী এলাকা বাংলাদেশ থেকে দ্বিগুণ ইন্টারনেট ব্যান্ডউইডথ নেবে ভারত হটলাইনে চার মিনিটেই পর্চা-মৌজা ম্যাপের আবেদন শৈলকুপায় সামাজিক আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে যুবকে পিটিয়ে হত্যা নির্বাচনী সহিংসতায় আহত ব্যক্তির মৃত্যু ঝিনাইদহের শৈলকুপায় নির্বাচনি সহিংসতায় নিহত ৬
Uncategorized
আওয়ামী লীগে মিলে মিশে একাকার হতে চায় বিএনপি!

আওয়ামী লীগে মিলে মিশে একাকার হতে চায় বিএনপি!

আওয়ামী লীগে মিলে মিশে একাকার হতে চায় বিএনপি!

নিউজ ডেস্ক: একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে যুদ্ধংদেহী থাকলেও নির্বাচনে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের ব্যানার থেকে মাত্র ৮ টি আসন পাবার পর থেকে নিজের অবস্থান বুঝতে পেরেছে বিএনপি। যার কারণে বর্তমান বিএনপি চাচ্ছে সরকারের সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করে নিজেদের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখতে। দলটির বিভিন্ন দায়িত্বশীল সূত্রের বরাতে তথ্যের সত্যতা সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া গেছে।

এরই মধ্যে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের অসুস্থ হওয়ার পর বিএনপির শীর্ষ নেতারা ওবায়দুল কাদেরকে দেখতে বঙ্গবন্ধু মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে যান। তার চিকিৎসার খোঁজখবর নেন। তার দ্রুত রোগ মুক্তির জন্য দোয়া করেন। এই ঘটনার পরদিনই বেগম খালেদা জিয়ার নাইকো দুর্নীতি মামলার বিশেষ আদালতে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে প্রবেশ করতে দেওয়া হয়। বিএনপির মহাসচিব একজন দণ্ডিত আসামীর সঙ্গে দীর্ঘক্ষণ আলাপ আলোচনা করেন। ধারণা করা হচ্ছে, এই আলাপ আলোচনাতে বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি এবং রাজনীতিতে বিএনপি যেন টিকে থাকতে পারে সেজন্য সরকারের সঙ্গে একটা সমঝোতার ব্যাপারে খালেদা জিয়ার কাছ থেকে মির্জা ফখরুল ইসলাম পরামর্শ বা মতামত নিয়েছেন।

সূত্রের বরাতে জানা যায়, নির্বাচনের পর এই প্রথম স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে বিএনপির শীর্ষ পাঁচ নেতা দেখা করলেন এবং তারা বেগম খালেদা জিয়াকে যেন দ্রুত উন্নত চিকিৎসা দেওয়া হয় সেজন্য আবেদন করলেন। অথচ এতদিন ধরে বিএনপির নেতাকর্মীরা বলছিলেন, সভায় সেমিনারে তারা বক্তব্য রাখছিলেন বেগম খালেদা জিয়াকে আন্দোলনের মাধ্যমে মুক্ত করা হবে। সেই জায়গা থেকে সরে এখন সরকারের আনুকূল্য পেতে নরম হয়েছে বিএনপি। ভুলের রাজনীতি থেকে বের হয়ে শুদ্ধ রাজনীতির লক্ষণ দেখিয়েছেন তারা।

নির্বাচন শেষ হবার পরপর বিএনপি চেয়েছিল আন্তর্জাতিক মহলের কাছে গিয়ে এ নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে। কিন্তু আন্তর্জাতিক মহল এসব অভিযোগ অনুযোগের ব্যাপারে তেমন মনোযোগী নয়। দেখা যায় যে, সরকারের জন্য কাজ করার ব্যাপারেই তারা আগ্রহী। বিদেশি দূতাবাসগুলো বিএনপিকে স্পষ্টই জানিয়ে দিয়েছে যে, বাংলাদেশের সর্বশেষ নির্বাচন তারা পর্যবেক্ষণ করেছে। যেহেতু সেটি আন্তর্জাতিক মানদণ্ড পূর্ণ করেছে তাই বিএনপি উচিৎ গণতন্ত্রের স্বার্থে সেটিকে মেনে নেয়া এবং পরবর্তী নির্বাচনের জন্য প্রস্তুতি নেয়া।

এই অবস্থায় অস্তিত্ব সংকটে থাকা এবং দলীয় কোন্দলে ছিন্নভিন্ন বিএনপি শেষ চেষ্টা হিসেবে সরকারের সঙ্গে আপোষ ফর্মুলায় যেতে চাচ্ছে, যেখানে সরকার তাদের দলীয় প্রধান খালেদা জিয়াকে প্যারোলে যেন মুক্তি দেয়। পাশাপাশি তারা সীমিত আকারে রাজনৈতিক কর্মসূচীতে অংশগ্রহণ করার সুযোগ পায়। কিন্তু সরকারের একাধিক দায়িত্বশীল সূত্র বলছে, তাদের সঙ্গে সরকারের আপোষ বা সমঝোতার কোন প্রশ্নই আসে না। বরং বিএনপির যেকোনো রাজনৈতিক কর্মসূচী করার অধিকার আছে রাজনৈতিক দল হিসেবে। এটার জন্য সরকারের কোন দয়া বা অনুকম্পার দরকার নেই। বিএনপি নিজের দোষেই দয়াপ্রার্থী হয়েছে বলেও মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

শেয়ার করুন




গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের তথ্য মন্ত্রণালয়ের অধীনে বিধি মোতাবেক আবেদিত
Design & Developed BY ThemesBazar.Com