January 23, 2022, 2:04 am

শিরোনাম :
নিয়োগের চূড়ান্ত সুপারিশপত্র পেলেন ৩৪ হাজার ৭৩ জন শিক্ষক মুন্সীগঞ্জ‌ে মিরকা‌দিম পৌরবাসীরা কি স্বাস্থ্য সম্মত গরুর মাংস খাচ্ছে? জ্বালানি থেকে বাড়তি টাকা তুলে সড়ক সংস্কার করা হবে নাসিকে ভোটযুদ্ধ আজ ॥ নিরাপত্তার চাদরে ঢাকা গোটা নির্বাচনী এলাকা বাংলাদেশ থেকে দ্বিগুণ ইন্টারনেট ব্যান্ডউইডথ নেবে ভারত হটলাইনে চার মিনিটেই পর্চা-মৌজা ম্যাপের আবেদন শৈলকুপায় সামাজিক আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে যুবকে পিটিয়ে হত্যা নির্বাচনী সহিংসতায় আহত ব্যক্তির মৃত্যু ঝিনাইদহের শৈলকুপায় নির্বাচনি সহিংসতায় নিহত ৬ লামার কোয়ান্টাম ফাউন্ডেশনে সাড়ে তিন হাজার কন্ঠে উচ্চারিত ‘ইনশাল্লাহ সব সম্ভব’ শত্রুতার আগুনে পুড়ে পুড়ল ৮ দোকান
Uncategorized
অবৈধ অস্ত্র ব্যবসায়ীর তালিকা : দ্বিতীয় নম্বরে তারেক রহমান

অবৈধ অস্ত্র ব্যবসায়ীর তালিকা : দ্বিতীয় নম্বরে তারেক রহমান

নিউজ ডেস্ক : বিশ্বে কালোবাজারে অস্ত্র বিক্রেতাদের নামের তালিকায় তারেক রহমান নাম পাওয়া গেছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ভিত্তিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান ‘পিস অ্যান্ড কনফ্লিক্ট’ এর প্রতিবেদনে ‘অবৈধ অস্ত্র ব্যবসায়ীদের তালিকায় তাঁর নাম আছে ২ নম্বরে। ২০১৫ সালের নভেম্বর মাসে ‘আর্মস ডিলারস অ্যারাউন্ড দ্য ওয়ার্ল্ড’ শীর্ষক এই প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। এই প্রতিবেদনে তারেক জিয়াকে বাংলাদেশে মোস্ট ওয়ান্টেড হিসেবে চিহ্নিত বলে জানানো হয়।

গবেষণা প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তারেক রহমান ২০০১ সাল থেকে অবৈধ অস্ত্রের কালো বাজারে যুক্ত হন। ভারতে অন্তত তিনটি বিচ্ছিন্নতাবাদী সশস্ত্র সংগঠনকে তিনি নিয়মিত অস্ত্র সরবরাহ করতেন। তাঁর একটি অস্ত্রের চালান ‘ভুল বোঝাবুঝি’র কারণে বাংলাদেশে আটকে যায়। তাঁর অস্ত্র ব্যবসার বিশ্ব নেটওয়ার্কে আছেন লিবিয়ায় বসবাসরত (বর্তমানে পাকিস্থানে) বাংলাদেশি, খুনের মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত খন্দকার আবদুর রশীদ, ভারতের অস্ত্র ডিলার ছোটা শাকিল এবং উলফার অস্ত্রদাতা চীনের ঝি আউ। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অস্ত্র ব্যবসা করে তারেক রহমান অন্তত এক বিলিয়ন ডলার (বাংলাদেশি টাকায় প্রায় আট হাজার ১৩০ কোটি) আয় করেছেন। তারেক রহমান মূলত চীন, লিবিয়া এবং রাশিয়া থেকে অস্ত্র কিনতেন এবং বিক্রি করতেন ভারত ও আফগানিস্থানে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে ‘উগ্র ইসলামপন্থী কিছু জঙ্গি সংগঠনকেও তারেক রহমান অস্ত্র সরবরাহ করতেন বলে অভিযোগ রয়েছে। কিন্তু পিস অ্যান্ড কনফ্লিক্ট এর গবেষণায় এই অভিযোগগুলোর ব্যাপারে কোনো সাক্ষ্য প্রমাণ পাওয়া যায়নি। বিপুল পরিমাণ এই অস্ত্রের কালো টাকা তারেক রহমান বিশ্বের বিভিন্ন স্থানে বেনামে বিনিয়োগ করেছেন। অন্তত ১০টি দেশে তারেক রহমানের বিনিয়োগের নিশ্চিত খবর পাওয়া গেছে। দেশগুলো হলো: সিঙ্গাপুর, সংযুক্ত আরব আমিরাত, ব্রুনাই, মরিশাস, মালয়েশিয়া, ফ্রান্স, ইতালি, মেক্সিকো, সুইজারল্যান্ড এবং থাইল্যান্ড। তবে কোনো বিনিয়োগই তাঁর নিজের নামে নেই।

২০০৪ সালে পাকিস্থানের গোয়েন্দা সংস্থা আইএসআই এর গোপন বার্তায় প্রথম তারেক রহমানের নাম পাওয়া যায়। ওই গোপন বার্তায় উলফা নেতা অনুপ চেটিয়াকে অস্ত্রের জন্য তারেক রহমানের সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলা হয়। মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা ওই গোপন বার্তাটি উদ্ধার করে। ২০০৫ সালে মার্কিন দূতাবাসের একজন কর্মকর্তা এই চিঠির সূত্র ধরে তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। কিন্তু তারেক রহমান ওই কর্মকর্তার কাছে এই অভিযোগ অস্বীকার করেন। ২০০৬ সালে ভারতের গোয়েন্দা সংস্থা ‘র’ তাদের প্রতিবেদনে অভিযোগ করে, ‘ তারেক ভারতের বিচ্ছিন্নতাবাদীদের অস্ত্র সরবরাহ করছেন।’ অস্ত্র ব্যবসায়ী ছোটা শাকিলের এক অনুচর ভারতের মুম্বাইয়ে ধরা পড়ার পর তাঁকে জিঙ্গাসাবাদের সূত্র ধরে তারেক রহমানের নাম উঠে আসে।

এখনো অস্ত্র আমদানি রপ্তানিতে তারেক রহমানের নেটওয়ার্ক কার্যকর আছে বলে অভিযোগ রয়েছে।

শেয়ার করুন




গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের তথ্য মন্ত্রণালয়ের অধীনে বিধি মোতাবেক আবেদিত
Design & Developed BY ThemesBazar.Com