January 22, 2022, 1:51 am

শিরোনাম :
মুন্সীগঞ্জ‌ে মিরকা‌দিম পৌরবাসীরা কি স্বাস্থ্য সম্মত গরুর মাংস খাচ্ছে? জ্বালানি থেকে বাড়তি টাকা তুলে সড়ক সংস্কার করা হবে নাসিকে ভোটযুদ্ধ আজ ॥ নিরাপত্তার চাদরে ঢাকা গোটা নির্বাচনী এলাকা বাংলাদেশ থেকে দ্বিগুণ ইন্টারনেট ব্যান্ডউইডথ নেবে ভারত হটলাইনে চার মিনিটেই পর্চা-মৌজা ম্যাপের আবেদন শৈলকুপায় সামাজিক আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে যুবকে পিটিয়ে হত্যা নির্বাচনী সহিংসতায় আহত ব্যক্তির মৃত্যু ঝিনাইদহের শৈলকুপায় নির্বাচনি সহিংসতায় নিহত ৬ লামার কোয়ান্টাম ফাউন্ডেশনে সাড়ে তিন হাজার কন্ঠে উচ্চারিত ‘ইনশাল্লাহ সব সম্ভব’ শত্রুতার আগুনে পুড়ে পুড়ল ৮ দোকান নাইক্ষ্যংছড়ি পাহাড় থেকে অস্ত্র-গুলিসহ ৪ রোহিঙ্গা সন্ত্রাসী গ্রেপ্তার
রাণীশংকৈলে হানাদারমুক্ত দিবস উৎযাপিত

রাণীশংকৈলে হানাদারমুক্ত দিবস উৎযাপিত

মোঃ সবুজ ইসলাম,রাণীশংকৈল থেকে: উত্তরবঙ্গের ঠাকুরগাঁও হানাদারমুক্ত হয় ১৯৭১ সালের ৩ ডিসেম্বর । এই দিনে (৩ ডিসেম্বর) ঠাকুরগাঁওয়ের মহাকুমায় মুক্তিযোদ্ধাদের মরণপণ লড়াই আর মুক্তিকামী জনগণের দুর্বার প্রতিরোধে পতন হয় পাকবাহিনীর সোমবার বিকেলে দিবসটি উপলক্ষে ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈলে এক বর্ণাঢ্য র‌্যালি বের হয়। র‌্যালিটি উপজেলা আ’লীগের অফিস থেকে শুরু করে পৌর শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে বন্দর চৌরাস্তা মোড়ে শেষ হয়। র‌্যালিতে দলমত নির্বিশেষে অনেকে অংশগ্রহন করেন। র‌্যালি শেষে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। আলোচনা সভায় শহীদ বুদ্ধিজীবী পরিষদ ও উপজেলা আ’লীগের সভাপতি অধ্যাপক সইদুল হকের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন উপজেলা আ’লীগ ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক তাজউদ্দিন,বীর মুক্তিযোদ্ধা হবিবর রহমান, মহিলা আওয়ামী লীগ সম্পাদিকা ফরিদা ইয়াসমিন , রাণীশংকৈল ডিগ্রী কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ তাজুল ইসলাম প্রমুখ। উলেখ্য যে, ২১ নভেম্বর থেকে ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত যুদ্ধ হয় ঠাকুরগাঁওয়ের বালিয়াডাঙ্গী, হরিপুর ,রাণীশংকৈল ও পীরগঞ্জ এলাকায়। ২৯ নভেম্বর এ মহাকুমার পঞ্চগড় প্রথম শত্রুমুক্ত হয়। এরপর পাকবাহিনীর মনোবল ভেঙ্গে যায়। তারা প্রবেশ করে ঠাকুরগাঁওয়ে। ৩০ নভেম্বর পাকসেনারা বিস্ফোরণ ঘটিয়ে ভুল্লী ব্রিজ উড়িয়ে দেয়। তারা সালন্দর এলাকায় সর্বত্র বিশেষ করে ইক্ষু খামারে মাইন পুঁতে রাখে। মিত্রবাহিনী ভুল্লী ব্রিজ সংস্কার করে ট্যাঙ্ক পারাপারের ব্যবস্থা করে। পহেলা ডিসেম্বর কমান্ডার মাহাবুব আলমের নেতৃত্বে মুক্তিযোদ্ধারা ঠাকুরগাঁয়ের দিকে প্রবেশ করে। ২ ডিসেম্বর রাতে ঠাকুরগাঁওয়ে শুরু হয় প্রচন্ড গোলাগুলি। ওই রাতেই শত্রুবাহিনী ঠাকুরগাঁও থেকে পিছু হটে। ৩ ডিসেম্বর বিজয়ের বেশে ঠাকুরগাঁওয়ে প্রবেশ করেন বাংলার বীরসন্তান মুক্তিযোদ্ধারা।

শেয়ার করুন




গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের তথ্য মন্ত্রণালয়ের অধীনে বিধি মোতাবেক আবেদিত
Design & Developed BY ThemesBazar.Com