January 26, 2022, 8:08 pm

শিরোনাম :
নিয়োগের চূড়ান্ত সুপারিশপত্র পেলেন ৩৪ হাজার ৭৩ জন শিক্ষক মুন্সীগঞ্জ‌ে মিরকা‌দিম পৌরবাসীরা কি স্বাস্থ্য সম্মত গরুর মাংস খাচ্ছে? আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা ও গণঅভ্যুত্থান ঈদগাঁওতে ২৫ লিটার দেশীয় চোলাই মদসহ আটক-২ জ্বালানি থেকে বাড়তি টাকা তুলে সড়ক সংস্কার করা হবে নাসিকে ভোটযুদ্ধ আজ ॥ নিরাপত্তার চাদরে ঢাকা গোটা নির্বাচনী এলাকা বাংলাদেশ থেকে দ্বিগুণ ইন্টারনেট ব্যান্ডউইডথ নেবে ভারত হটলাইনে চার মিনিটেই পর্চা-মৌজা ম্যাপের আবেদন শৈলকুপায় সামাজিক আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে যুবকে পিটিয়ে হত্যা নির্বাচনী সহিংসতায় আহত ব্যক্তির মৃত্যু ঝিনাইদহের শৈলকুপায় নির্বাচনি সহিংসতায় নিহত ৬
ঝিনাইদহের শৈলকুপায় নির্বাচনি সহিংসতায় নিহত ৬

ঝিনাইদহের শৈলকুপায় নির্বাচনি সহিংসতায় নিহত ৬

স্টাফ রিপোটার্র, ঝিনাইদহ-
ঝিনাইদহের শৈলকুপা উপজেলার ইউনিয়নে নির্বাচনি সহিংসতায় একের পর এক নিহত হচ্ছে। নিহতের পরিবার গুলো কিভাবে সন্তানদের নিয়ে বেচে থাকবে তা হতাশায় পড়েছে। শনিবার দুপুর ১২টার দিকে উপজেলার বগুড়া ইউনিয়নের দলিলপুর মাঠে কল্লোল হোসেন (৩৫) নামের একজনকে পিটিয়ে ও কুপিয়ে হত্যা করে প্রতিপক্ষ অস্ত্রধারীরা। তিনি উপজেলার বগুড়া গ্রামের মৃত আকবর আলীর ছেলে। এর আগে সকালে আবদুর রহিম নামে আরেক ব্যক্তি রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। গত ২৩ ডিসেম্বর নির্বাচনী সহিংসতায় তিনি আহত হয়েছিলেন। শনিবার নির্বাচনী সহিংসতায় মারা যাওয়া অখিল সরকার ইটভাটায় কাজ করতেন। ঝিনাইদহের শৈলকুপা উপজেলার সারংটিয়া ইউনিয়নের ভোটার নন তিনি। থাকতেন আশ্রয় প্রকল্পের শ্বশুরবাড়িতে। নিজ বাড়ি ঢাকার ধামরাই উপজেলায়। হারান আলীও থাকতেন কঁাচেরকোল বাজারের পাশে একই আশ্রয় প্রকল্পের। তঁারা আওয়ামী লীগের প্রার্থীর সমর্থক ছিলেন। গত ৩১ ডিসেম্বর ইউনিয়নের কাতলাগাড়ি বাজারে নৌকার প্রার্থীর নির্বাচনী কার্যালয়ে প্রতিপক্ষের হামলায় অখিল সরকার ও হারান আলী গুরুতর আহত হন। হাসপাতালে নেওয়ার পথেই হারান আলী মারা যান। তিনিও কৃষি শ্রমিক ছিলেন। আর অখিল সরকার ৫ জানুয়ারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। সারুটিয়া ইউনিয়নের নির্বাচনী সহিংসতায় নিহত আরেকজন জসিম উদ্দিন। তিনিও দীর্ঘদিন ঢাকায় থাকতেন, ঘটনার দিন সকালে বাড়িতে এসেছিলেন। প্রতিপক্ষের লোকজন ভেবেছিলেন, নির্বাচনে ভোট দিতে বাড়িতে এসেছে, তাই তঁাকে ছুরিকাঘাত করে হত্যা করা হয়। তঁার বাড়ি ভাটবাড়িয়া গ্রামে। তিনি ঢাকার একটি পোশাক কারখানার শ্রমিক ছিলেন। নির্বাচনী সহিংসতায় মারা যাওয়া হারান আলীর স্ত্রী সুফিয়া বেগম জানান, তঁার স্বামীও কোনো দিন রাজনীতি করেননি। রাজনীতি কী, তাও বুঝতেন না। শুধু নির্বাচনী প্রচার প্রচারনায় দেখতে আওয়ামী লীগের প্রার্থীর কার্যালয়ে গিয়েছিলেন। সেখানেই তঁাকে প্রতিপক্ষের লোকজন কুপিয়ে হত্যা করেছেন।

শেয়ার করুন




গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের তথ্য মন্ত্রণালয়ের অধীনে বিধি মোতাবেক আবেদিত
Design & Developed BY ThemesBazar.Com