January 29, 2022, 4:31 pm

শিরোনাম :
নিয়োগের চূড়ান্ত সুপারিশপত্র পেলেন ৩৪ হাজার ৭৩ জন শিক্ষক মুন্সীগঞ্জ‌ে মিরকা‌দিম পৌরবাসীরা কি স্বাস্থ্য সম্মত গরুর মাংস খাচ্ছে? ১৪নং পুরানগড় ইউপি নির্বাচনে মনেয়াবাদ ৯নং ওয়ার্ডের মেম্বার প্রার্থী ফরিদ আহমদ জনপ্রিয়তায় এগিয়ে নাইক্ষ্যংছড়িতে ভূমি কমিশনার জর্জ মিত্র চাকমা’র যোগদান ঈদগাঁও উপজেলা কমপ্লেক্সের ভূমি অধিগ্রহণের স্থগিতাদেশ স্থগিত ঈদগাঁও-ফরাজী পাড়া সড়ক হয়ে উঠেছে মৃত্যুফাঁদ! আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা ও গণঅভ্যুত্থান ঈদগাঁওতে ২৫ লিটার দেশীয় চোলাই মদসহ আটক-২ জ্বালানি থেকে বাড়তি টাকা তুলে সড়ক সংস্কার করা হবে নাসিকে ভোটযুদ্ধ আজ ॥ নিরাপত্তার চাদরে ঢাকা গোটা নির্বাচনী এলাকা বাংলাদেশ থেকে দ্বিগুণ ইন্টারনেট ব্যান্ডউইডথ নেবে ভারত
লামা সরই ইউনিয়নের সেচ প্রকল্পের জমির মালিকের অনুমতি না নেয়ায় আবেদন আপত্তি দাখিল

লামা সরই ইউনিয়নের সেচ প্রকল্পের জমির মালিকের অনুমতি না নেয়ায় আবেদন আপত্তি দাখিল

লামা প্রতিনিধিঃ
বান্দরবানের লামা উপজেলার সরই ইউনিয়নে জমির মালিককে না জানিয়ে এক ইউপি মেম্বার গোদা ( বাধ) সেচ প্রকল্পের  নামে বাধ নিমার্ণ করার জন্য   লামা উপজেলার  নির্বাহী কর্মকর্তা নিকট আবেদন করেন। মেম্বারের আবেদন টি বাচাই বাছাইয়ের জন্য কৃষি কর্মকর্তা দায়িত্ব দেওয়া পর  জমি মালিক নুরুল  আবছার বিষয়টি জানতে পেরে মেম্বার  বিরুদ্ধে লামা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নিকট আবেদন করেন পাশাপাশি বান্দরবান   জেলা প্রশাসকের নিকট অনুলিপি দাখিল করেন।

জানা গেছে, গোদা বাঁধ নির্মাণ নিয়ে বর্তমান মেম্বার মো বাবুল সাথে ও সাবেক মেম্বার নুরুল আবছার দীর্ঘদিন মামলা মোকদ্দমা চলছে বলে অভিযোগ  জানিয়েছেন।নুরু আবছার জানান, আমি  স্থায়ী বাসিন্দা ও জমির মালিক হিসাবে ভোগদখল রয়েছি। বিবর্দী ইতিপূর্বে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের নিকট সেচ প্রকল্পের অনুমতি চাহিয়া একখানা আবেদন করেন। যাহা বর্তমানে মহােদয়ের নিকট

তদন্তাধীন আছে। বিবাদী যে জায়গার উপর তফসীল দেখাইয়া সেচ প্রকল্পের অনুমতি আবেদন করেন। উক্ত জায়গা নিয়ে বিবাদীর সাথে আমার বিরােধ রয়েছে। উল্লেখ্য যে, উক্ত জায়গার বিরােধ নিয়া মাননীয় সিনিয়র জুডিসিয়াল
ম্যাজিস্ট্রেট আদালত, লামা, বান্দরবান পার্বত্য জেলায় একখানা সি, আর মামলা নং- ০৪/২০২১ এবং উপজেলা
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আদালত, লামা, বান্দরবান পার্বত্য জেলায় ফৌঃ কাঃ বিঃ আইনের ১৪৪ ধারায় একখানা পিটিশন
মামলা নং- ৭৯/২০২০ চলমান আছে। ২০২০ সালে মেশিন দিয়ে বালু উত্তোলন করার সময় বিবাদীকে বাধা প্রদান
করি পরবর্তীতে উক্ত বিবাদী লােকবল নিয়ে আমাকে মারধর করেন এবং আমি মারাত্নক জকম হয়ে হাসপাতালে
চিকিৎসা গ্রহণ করি (চিকিৎসাপত্র সংযুক্ত আছে)। উক্ত ঘটনার প্রেক্ষিতে তৎকালীন দায়িত্বপ্রাপ্ত উপজেলা নির্বাহী
অফিসার তদন্ত করেন। তদন্তকালীন স্থানীয় জনসাধারণ জানান এই জায়গায় সেচ প্রকল্প অনুমােদন দিলে ব্রীজের ক্ষতি
হতে পারে। পুনরায় ২০২১ সালে উক্ত বিবাদী পূর্বের জের ধরে আমাকে আবারও মারধর করেন (লােহাগাড়া স্বাস্থ্য
কমপ্লেক্য এর চিকিৎসাপত্র সংযুক্ত) আছে। গত কিছুদিন পূর্বে বিবাদী উপজেলা নির্বাহী অফিসার মহােদয় বর সেচ
প্রকল্পের জন্য আবেদন করেন তার প্রেক্ষিতে তদন্তের জন্য আপনার কার্যালয়ে প্রেরণ করেন। ইতিপূর্বে আমি
আবেদনকারী আপনার কার্যালয়ে উক্ত বিষয় নিয়ে আপত্তি দাখিল করি। উল্লেখ্য যে, বিবাদী কর্তৃক সেচ প্রকল্পের
জায়গা আমার পিতার নামীয় ৩৪নং হােল্ডিংভূক্ত জায়গা হয়। উক্ত মামলা সমূহের নিস্পত্তির আগে বিবাদী সেচ
প্রকল্পের অনুমতি পাইলে আমি অপূরনীয় ক্ষত্রির সম্মুখীন হওয়া আশংকা প্রকাশ করেন।

এব্যাপারে মো. বাবুল মেম্বার বলেন,ব্রীজ পাশে বাঁধ নির্মাণ করার জন্য গত বছর নির্বাহী  অফিসারের নিকট আবেদন করার পর তিনি গোদা নির্মাণের অনুমতি দিয়েছিলেন।   সেচ প্রকল্পের কাজ করছি তবে নতুন করে লামা উপজেলা নির্বাহী অফিসেরর নিকট আবেদন করছি। তিনি সরেজমিনে কৃষি অফিসার কে দেখ ব্যবস্থা নেয়ার জন্য বলেছেন তবে এখনো অনুমোদন পাইনি।সাবেক মেম্বার সাথে বিরোধের  বিষয়টি স্বীকার করেছেন।

লামা কৃষি কর্মকর্তা সাথে আলাপকালে তিনি বলেন, সরেজমিনে গিয়েছিল বিষয়টি জটিলতা রয়েছে এবং যেহেতু অভিযোগ করেছেন পুনর্রায় গিয়ে ব্রীজের কোন ক্ষতি ও আবেদনকারী কোন ক্ষতি না হয় তা দেখে অনুমোদন করা হবে।

শেয়ার করুন




গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের তথ্য মন্ত্রণালয়ের অধীনে বিধি মোতাবেক আবেদিত
Design & Developed BY ThemesBazar.Com