January 27, 2022, 11:47 am

শিরোনাম :
নিয়োগের চূড়ান্ত সুপারিশপত্র পেলেন ৩৪ হাজার ৭৩ জন শিক্ষক মুন্সীগঞ্জ‌ে মিরকা‌দিম পৌরবাসীরা কি স্বাস্থ্য সম্মত গরুর মাংস খাচ্ছে? আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা ও গণঅভ্যুত্থান ঈদগাঁওতে ২৫ লিটার দেশীয় চোলাই মদসহ আটক-২ জ্বালানি থেকে বাড়তি টাকা তুলে সড়ক সংস্কার করা হবে নাসিকে ভোটযুদ্ধ আজ ॥ নিরাপত্তার চাদরে ঢাকা গোটা নির্বাচনী এলাকা বাংলাদেশ থেকে দ্বিগুণ ইন্টারনেট ব্যান্ডউইডথ নেবে ভারত হটলাইনে চার মিনিটেই পর্চা-মৌজা ম্যাপের আবেদন শৈলকুপায় সামাজিক আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে যুবকে পিটিয়ে হত্যা নির্বাচনী সহিংসতায় আহত ব্যক্তির মৃত্যু ঝিনাইদহের শৈলকুপায় নির্বাচনি সহিংসতায় নিহত ৬
এসএসসির মডেল টেস্ট শেষ হতেই, শুরু হলো কোচিং বাণিজ্য

এসএসসির মডেল টেস্ট শেষ হতেই, শুরু হলো কোচিং বাণিজ্য

আসিফ জামান,ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধিঃ

কোচিং সেন্টার চালিয়ে কোচিং ব্যবসায়ীরা শিক্ষার্থী, অভিভাবকদের কাছ থেকে হাতিয়ে নিচ্ছে হাজার হাজার টাকা। সরকারি কোনো নীতিমালা ছাড়াই চলছে এসব কোচিং সেন্টারগুলো। অধিকাংশ ক্ষেত্রেই দেখা যায় কোচিং সেন্টারগুলো শিক্ষার্থীদের শিক্ষা দেয়ার চেয়ে অর্থ উপার্জনকেই বেশি প্রাধান্য দিচ্ছে। এটিকে একদিক দিয়ে কোচিং বাণিজ্যও বলা যেতে পারে।

ঠাকুরগাঁও পৌরসভাধীন গোয়ালপাড়া, সরকারপাড়া, বসিরপাড়া, ঘোষপাড়া, হাজিপাড়াসহ শহর ও উপজেলার বিভিন্ন স্থানে ব্যাঙের ছাতার মতো গজিয়ে উঠেছে কোচিং সেন্টার।এসব কোচিং সেন্টারগুলো ওপর সরকারের কোন নিয়ন্ত্রণ নেই। ব্যক্তিমালিকানাধীন এসব কোচিং সেন্টারের ইচ্ছামাফিক বিজ্ঞাপন ও মিথ্যাচারের মাধ্যমে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের সঙ্গে করছে প্রতারণা।এসব কোচিং সেন্টারগুলোতে ভর্তি বা কোর্স ফিও নিচ্ছে ইচ্ছেমত এবং প্রতি বছর তা বেড়েই চলছে।একেক কোচিং সেন্টারে ভর্তি বা কোর্স ফি একেক রকম। আগামী কয়েক মাসের মধ্যে শুরু হতে যাচ্ছে এসএসসি পরীক্ষা। আর এসময়টিকে কাজে লাগিয়ে কোচিং সেন্টারগুলো শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের কাছ থেকে হাতিয়ে নিচ্ছে হাজার হাজার টাকা। প্রত্যেক বছরে এসএসসি পরীক্ষার্থীদের মডেল টেস্ট পরীক্ষার শেষ মুহুর্তে দেখা যায় বিজ্ঞাপন, দেয়ালে দেয়ালে পোস্টার, ব্যানার লাগিয়ে প্রচারণা করছে কোচিং মালিকরা। দেখা গেছে, এক একটি কোচিং সেন্টারে দিনে প্রায় তিন থেকে চারটি ব্যাচ পড়ানো হয়।প্রত্যেকটি ব্যাচে প্রায় ৫০ থেকে ৬০ জন শিক্ষার্থীকে পড়ানো হয়।কোচিং সেন্টারগুলোতে বিষয়ভিত্তিক শিক্ষক রয়েছে। আর কোচিং সেন্টারগুলোতে একটি ব্যাচ এক থেকে দেড় ঘণ্টা পড়ানো হয়। এক একটি ক্লাস ৩০ থেকে ৪০ মিনিট পর্যন্ত নেয় কোচিং সেন্টারের শিক্ষকরা। দেখা যায়, দেশে কোচিং সেন্টার চালু করার জন্য সরকারের কোনো অনুমোদন নিতে হয় না। যে কেউ ইচ্ছামতো, যখন খুশি কোচিং সেন্টার চালু করতে পারে। এর ফলে ব্যাঙের ছাতার মতো এখানে সেখানে গজিয়ে উঠছে কোচিং সেন্টার। শিক্ষার মহান সেবার ব্যানারে এক শ্রেণীর মুনাফালোভীরা হাতিয়ে নিচ্ছে লক্ষ্য লক্ষ্য টাকা। অবশ্য এসব অভিযোগ নাকচ করে দিয়েছেন কোচিং ব্যবসায়ীরা। এক কোচিং সেন্টারের মালিক জানান, তারা শতভাগ শিক্ষা সেবার জন্যই কাজ করছেন, কোন ব্যবসায়িক উদ্দেশ্যে নয়। অন্যদিকে অভিভাবকরা জানান, আমাদের সন্তানদের আমরা বিদ্যালয়ে ভর্তি করেছি শিক্ষা লাভের জন্য। কিন্তু আমাদের সন্তানরা বিদ্যালয় থেকে তেমন শিক্ষা লাভ করতে পারছে না। তাই আমাদের সন্তানদের শিক্ষা লাভের জন্য আমরা কোচিং সেন্টার গুলোর স্মরণাপন্ন হচ্ছি। কিন্তু এখানেও দেখা যায় একত্রে অনেক শিক্ষার্থীর ক্লাস নেওয়ার কারণে আমাদের সন্তানরা তাদের সমস্যাগুলো শিক্ষক দের কাছে বুঝিয়ে নিতে পারছে না। শিক্ষার্থীরা জানান, স্কুলে পড়াশোনা ঠিকমতো হতো না, আর প্রাইভেটের পড়াশোনা দিয়ে আসলে এসএসসির প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়ণ।

বিষয়ে জেলা শিক্ষা অফিসার ভূপেন্দ্র নাথ মূখার্জী জানান, কোচিং সেন্টারে একসাথে এতোগুলো শিক্ষার্থী কখনোই কিছু শিখতে পারবেনা। শিক্ষার্থীদের শেখবার মূল স্থান হলো বিদ্যালয়। তবে এসএসসি চলাকালীন কোন কোচিং সেন্টারে কার্যক্রম চালু থাকলে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে জেলা প্রশাসনকে নির্দেশ দিয়েছেন শিক্ষা মন্ত্রণালয়।

শেয়ার করুন




গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের তথ্য মন্ত্রণালয়ের অধীনে বিধি মোতাবেক আবেদিত
Design & Developed BY ThemesBazar.Com