January 22, 2022, 2:30 am

শিরোনাম :
মুন্সীগঞ্জ‌ে মিরকা‌দিম পৌরবাসীরা কি স্বাস্থ্য সম্মত গরুর মাংস খাচ্ছে? জ্বালানি থেকে বাড়তি টাকা তুলে সড়ক সংস্কার করা হবে নাসিকে ভোটযুদ্ধ আজ ॥ নিরাপত্তার চাদরে ঢাকা গোটা নির্বাচনী এলাকা বাংলাদেশ থেকে দ্বিগুণ ইন্টারনেট ব্যান্ডউইডথ নেবে ভারত হটলাইনে চার মিনিটেই পর্চা-মৌজা ম্যাপের আবেদন শৈলকুপায় সামাজিক আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে যুবকে পিটিয়ে হত্যা নির্বাচনী সহিংসতায় আহত ব্যক্তির মৃত্যু ঝিনাইদহের শৈলকুপায় নির্বাচনি সহিংসতায় নিহত ৬ লামার কোয়ান্টাম ফাউন্ডেশনে সাড়ে তিন হাজার কন্ঠে উচ্চারিত ‘ইনশাল্লাহ সব সম্ভব’ শত্রুতার আগুনে পুড়ে পুড়ল ৮ দোকান নাইক্ষ্যংছড়ি পাহাড় থেকে অস্ত্র-গুলিসহ ৪ রোহিঙ্গা সন্ত্রাসী গ্রেপ্তার
বদলে গেছে পিএসসি

বদলে গেছে পিএসসি

বদলে গেছে সরকারি কর্মকমিশন (পিএসসি)। সাংবিধানিক এই প্রতিষ্ঠানটি এখন মেধা ও যোগ্যতার ভিত্তিতে ক্যাডার সার্ভিসে মেধাবীদের নিয়োগ দিচ্ছে। অতীতে বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের আমলে দলীয় বিবেচনায় নিয়োগ দেওয়ার অভিযোগ থাকলেও এখন সেটি নেই বললেই চলে। এ কারণে বিভিন্ন মতাদর্শের মেধাবীরা বিসিএস পরীক্ষায় প্রশাসন, পুলিশসহ বিভিন্ন ক্যাডারে নিয়োগ পাচ্ছেন।

সম্প্রতি ক্যাডার সার্ভিসে নিয়োগে কোটা পদ্ধতি উঠিয়ে দিয়েছে পিএসসি। এখন শুধু যোগ্যতার ভিত্তিতে লোক নিয়োগ দেবে পিএসসি। আগে মেধার পরিবর্তে দলীয় মতাদর্শকে প্রাধান্য দেওয়ায় নিয়োগপ্রাপ্তদের নিয়ে জনপ্রশাসনে স্বাধীনতার পক্ষ ও বিপক্ষ বিতর্ক উঠেছে। তার ঢেউ লাগছে এখন জনপ্রশাসনেও। এই বিতর্কের কারণে অনেককে যোগ্যতা থাকা সত্ত্বেও সরকারবিরোধী চিহ্নিত করে পদোন্নতি বঞ্চিত করা হচ্ছে। সংশ্নিষ্টরা বলছেন, শুধু মেধার ভিত্তিতে নিয়োগ হলে ভবিষ্যতে এই বিতর্ক তেমন উঠবে না।

অভিযোগ রয়েছে, বিগত জোট সরকারের আমলে তাদের মতাদর্শের বাইরে কোনো কর্মকর্তার পদোন্নতি ছিল চিন্তার বাইরে। এমনকি দলীয় মতাদর্শের বাইরে বিসিএসে নিয়োগও ছিল স্বপ্নের মতো। তখন একটি বিশেষ স্থানের নির্দেশনায় সাংবিধানিক এই প্রতিষ্ঠান পরিচালিত হতো। তাদের তালিকা অনুযায়ী নিয়োগ দেওয়া হতো। মেধা, যোগ্যতা থাকা সত্ত্বেও সরকারবিরোধী রাজনীতিতে সংশ্নিষ্টতার কারণে অনেককেই নিয়োগ বঞ্চিত করা হতো। তা সত্ত্বেও বিএনপি-জামায়াত জোট আমলে নিয়োগ পাওয়া সিভিল, পুলিশসহ অন্যান্য ক্যাডারের কর্মকর্তারা বর্তমান সরকারের আমলে বিভিন্ন সেক্টরে প্রভাব বিস্তার করছেন। তাদের অনেকেই সরকারের নীতিনির্ধারকদের সঙ্গে বেশ সখ্য গড়ে প্রশাসনে দাপিয়ে বেড়াচ্ছেন। পদোন্নতি পেয়ে তারা গুরুত্বপূর্ণ জায়গায়ও চাকরি করছেন।

সংশ্নিষ্টরা বলছেন, সাম্প্রতিক সময়ে পিএসসির কর্মতৎপরতা বেশ বেড়েছে। ২০০১ থেকে ২০০৭ পর্যন্ত প্রতিষ্ঠানটি সাড়ে ১৬ হাজার নিয়োগের সুপারিশ করে। বিপরীতে গত ১০ বছরে পিএসসির মাধ্যমে নিয়োগ পেয়েছেন সাড়ে ৬১ বদলে গেছে পিএসসি
প্রকাশ: ২২ ঘণ্টা আগে
facebook sharing button twitter sharing button messenger sharing button whatsapp sharing button sharethis sharing button
ফসিহ উদ্দীন মাহতাব

বদলে গেছে সরকারি কর্মকমিশন (পিএসসি)। সাংবিধানিক এই প্রতিষ্ঠানটি এখন মেধা ও যোগ্যতার ভিত্তিতে ক্যাডার সার্ভিসে মেধাবীদের নিয়োগ দিচ্ছে। অতীতে বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের আমলে দলীয় বিবেচনায় নিয়োগ দেওয়ার অভিযোগ থাকলেও এখন সেটি নেই বললেই চলে। এ কারণে বিভিন্ন মতাদর্শের মেধাবীরা বিসিএস পরীক্ষায় প্রশাসন, পুলিশসহ বিভিন্ন ক্যাডারে নিয়োগ পাচ্ছেন।

সম্প্রতি ক্যাডার সার্ভিসে নিয়োগে কোটা পদ্ধতি উঠিয়ে দিয়েছে পিএসসি। এখন শুধু যোগ্যতার ভিত্তিতে লোক নিয়োগ দেবে পিএসসি। আগে মেধার পরিবর্তে দলীয় মতাদর্শকে প্রাধান্য দেওয়ায় নিয়োগপ্রাপ্তদের নিয়ে জনপ্রশাসনে স্বাধীনতার পক্ষ ও বিপক্ষ বিতর্ক উঠেছে। তার ঢেউ লাগছে এখন জনপ্রশাসনেও। এই বিতর্কের কারণে অনেককে যোগ্যতা থাকা সত্ত্বেও সরকারবিরোধী চিহ্নিত করে পদোন্নতি বঞ্চিত করা হচ্ছে। সংশ্নিষ্টরা বলছেন, শুধু মেধার ভিত্তিতে নিয়োগ হলে ভবিষ্যতে এই বিতর্ক তেমন উঠবে না।

অভিযোগ রয়েছে, বিগত জোট সরকারের আমলে তাদের মতাদর্শের বাইরে কোনো কর্মকর্তার পদোন্নতি ছিল চিন্তার বাইরে। এমনকি দলীয় মতাদর্শের বাইরে বিসিএসে নিয়োগও ছিল স্বপ্নের মতো। তখন একটি বিশেষ স্থানের নির্দেশনায় সাংবিধানিক এই প্রতিষ্ঠান পরিচালিত হতো। তাদের তালিকা অনুযায়ী নিয়োগ দেওয়া হতো। মেধা, যোগ্যতা থাকা সত্ত্বেও সরকারবিরোধী রাজনীতিতে সংশ্নিষ্টতার কারণে অনেককেই নিয়োগ বঞ্চিত করা হতো। তা সত্ত্বেও বিএনপি-জামায়াত জোট আমলে নিয়োগ পাওয়া সিভিল, পুলিশসহ অন্যান্য ক্যাডারের কর্মকর্তারা বর্তমান সরকারের আমলে বিভিন্ন সেক্টরে প্রভাব বিস্তার করছেন। তাদের অনেকেই সরকারের নীতিনির্ধারকদের সঙ্গে বেশ সখ্য গড়ে প্রশাসনে দাপিয়ে বেড়াচ্ছেন। পদোন্নতি পেয়ে তারা গুরুত্বপূর্ণ জায়গায়ও চাকরি করছেন।

সংশ্নিষ্টরা বলছেন, সাম্প্রতিক সময়ে পিএসসির কর্মতৎপরতা বেশ বেড়েছে। ২০০১ থেকে ২০০৭ পর্যন্ত প্রতিষ্ঠানটি সাড়ে ১৬ হাজার নিয়োগের সুপারিশ করে। বিপরীতে গত ১০ বছরে পিএসসির মাধ্যমে নিয়োগ পেয়েছেন সাড়ে ৬১ হাজার চাকরি প্রার্থী। আগে একটি ক্যাডারে নিয়োগের ফল প্রস্তুত করতে সময় লাগত তিন থেকে চার মাস, এখন সেখানে সময় লাগছে ১২ থেকে ১৪ দিন।

কেবল সংখ্যাগত পরিবর্তনই নয়, দ্রুত ফল প্রকাশের সফটওয়্যার প্রস্তুত ও ব্যবহারও পাল্টে দিয়েছে পিএসসিকে। করোনা সংকট সামলাতে পিএসসির সফটওয়্যার ব্যবহারের মাধ্যমে মাত্র ৪৮ ঘণ্টায় সাত হাজার ডাক্তার ও নার্স নিয়োগের মতো অসম্ভবকে সম্ভব করা গেছে।

এদিকে বাংলাদেশের সরকারি কর্মকর্তা নিয়োগে কোটা যুগের অবসান হয়েছে। গত ১ জুলাই ৩৮তম বিসিএসের চূড়ান্ত ফল প্রকাশ করেছে পিএসসি। এতে বিভিন্ন ক্যাডারে দুই হাজার ২০৪ জনকে নিয়োগের সুপারিশ করা হয়বদলে গেছে পিএসসি
প্রকাশ: ২২ ঘণ্টা আগে
facebook sharing button twitter sharing button messenger sharing button whatsapp sharing button sharethis sharing button
ফসিহ উদ্দীন মাহতাব

বদলে গেছে সরকারি কর্মকমিশন (পিএসসি)। সাংবিধানিক এই প্রতিষ্ঠানটি এখন মেধা ও যোগ্যতার ভিত্তিতে ক্যাডার সার্ভিসে মেধাবীদের নিয়োগ দিচ্ছে। অতীতে বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের আমলে দলীয় বিবেচনায় নিয়োগ দেওয়ার অভিযোগ থাকলেও এখন সেটি নেই বললেই চলে। এ কারণে বিভিন্ন মতাদর্শের মেধাবীরা বিসিএস পরীক্ষায় প্রশাসন, পুলিশসহ বিভিন্ন ক্যাডারে নিয়োগ পাচ্ছেন।

সম্প্রতি ক্যাডার সার্ভিসে নিয়োগে কোটা পদ্ধতি উঠিয়ে দিয়েছে পিএসসি। এখন শুধু যোগ্যতার ভিত্তিতে লোক নিয়োগ দেবে পিএসসি। আগে মেধার পরিবর্তে দলীয় মতাদর্শকে প্রাধান্য দেওয়ায় নিয়োগপ্রাপ্তদের নিয়ে জনপ্রশাসনে স্বাধীনতার পক্ষ ও বিপক্ষ বিতর্ক উঠেছে। তার ঢেউ লাগছে এখন জনপ্রশাসনেও। এই বিতর্কের কারণে অনেককে যোগ্যতা থাকা সত্ত্বেও সরকারবিরোধী চিহ্নিত করে পদোন্নতি বঞ্চিত করা হচ্ছে। সংশ্নিষ্টরা বলছেন, শুধু মেধার ভিত্তিতে নিয়োগ হলে ভবিষ্যতে এই বিতর্ক তেমন উঠবে না।

অভিযোগ রয়েছে, বিগত জোট সরকারের আমলে তাদের মতাদর্শের বাইরে কোনো কর্মকর্তার পদোন্নতি ছিল চিন্তার বাইরে। এমনকি দলীয় মতাদর্শের বাইরে বিসিএসে নিয়োগও ছিল স্বপ্নের মতো। তখন একটি বিশেষ স্থানের নির্দেশনায় সাংবিধানিক এই প্রতিষ্ঠান পরিচালিত হতো। তাদের তালিকা অনুযায়ী নিয়োগ দেওয়া হতো। মেধা, যোগ্যতা থাকা সত্ত্বেও সরকারবিরোধী রাজনীতিতে সংশ্নিষ্টতার কারণে অনেককেই নিয়োগ বঞ্চিত করা হতো। তা সত্ত্বেও বিএনপি-জামায়াত জোট আমলে নিয়োগ পাওয়া সিভিল, পুলিশসহ অন্যান্য ক্যাডারের কর্মকর্তারা বর্তমান সরকারের আমলে বিভিন্ন সেক্টরে প্রভাব বিস্তার করছেন। তাদের অনেকেই সরকারের নীতিনির্ধারকদের সঙ্গে বেশ সখ্য গড়ে প্রশাসনে দাপিয়ে বেড়াচ্ছেন। পদোন্নতি পেয়ে তারা গুরুত্বপূর্ণ জায়গায়ও চাকরি করছেন।

সংশ্নিষ্টরা বলছেন, সাম্প্রতিক সময়ে পিএসসির কর্মতৎপরতা বেশ বেড়েছে। ২০০১ থেকে ২০০৭ পর্যন্ত প্রতিষ্ঠানটি সাড়ে ১৬ হাজার নিয়োগের সুপারিশ করে। বিপরীতে গত ১০ বছরে পিএসসির মাধ্যমে নিয়োগ পেয়েছেন সাড়ে ৬১ হাজার চাকরি প্রার্থী। আগে একটি ক্যাডারে নিয়োগের ফল প্রস্তুত করতে সময় লাগত তিন থেকে চার মাস, এখন সেখানে সময় লাগছে ১২ থেকে ১৪ দিন।

কেবল সংখ্যাগত পরিবর্তনই নয়, দ্রুত ফল প্রকাশের সফটওয়্যার প্রস্তুত ও ব্যবহারও পাল্টে দিয়েছে পিএসসিকে। করোনা সংকট সামলাতে পিএসসির সফটওয়্যার ব্যবহারের মাধ্যমে মাত্র ৪৮ ঘণ্টায় সাত হাজার ডাক্তার ও নার্স নিয়োগের মতো অসম্ভবকে সম্ভব করা গেছে।

এদিকে বাংলাদেবদলে গেছে পিএসসি
প্রকাশ: ২২ ঘণ্টা আগে
facebook sharing button twitter sharing button messenger sharing button whatsapp sharing button sharethis sharing button
ফসিহ উদ্দীন মাহতাব

বদলে গেছে সরকারি কর্মকমিশন (পিএসসি)। সাংবিধানিক এই প্রতিষ্ঠানটি এখন মেধা ও যোগ্যতার ভিত্তিতে ক্যাডার সার্ভিসে মেধাবীদের নিয়োগ দিচ্ছে। অতীতে বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের আমলে দলীয় বিবেচনায় নিয়োগ দেওয়ার অভিযোগ থাকলেও এখন সেটি নেই বললেই চলে। এ কারণে বিভিন্ন মতাদর্শের মেধাবীরা বিসিএস পরীক্ষায় প্রশাসন, পুলিশসহ বিভিন্ন ক্যাডারে নিয়োগ পাচ্ছেন।

সম্প্রতি ক্যাডার সার্ভিসে নিয়োগে কোটা পদ্ধতি উঠিয়ে দিয়েছে পিএসসি। এখন শুধু যোগ্যতার ভিত্তিতে লোক নিয়োগ দেবে পিএসসি। আগে মেধার পরিবর্তে দলীয় মতাদর্শকে প্রাধান্য দেওয়ায় নিয়োগপ্রাপ্তদের নিয়ে জনপ্রশাসনে স্বাধীনতার পক্ষ ও বিপক্ষ বিতর্ক উঠেছে। তার ঢেউ লাগছে এখন জনপ্রশাসনেও। এই বিতর্কের কারণে অনেককে যোগ্যতা থাকা সত্ত্বেও সরকারবিরোধী চিহ্নিত করে পদোন্নতি বঞ্চিত করা হচ্ছে। সংশ্নিষ্টরা বলছেন, শুধু মেধার ভিত্তিতে নিয়োগ হলে ভবিষ্যতে এই বিতর্ক তেমন উঠবে না।

অভিযোগ রয়েছে, বিগত জোট সরকারের আমলে তাদের মতাদর্শের বাইরে কোনো কর্মকর্তার পদোন্নতি ছিল চিন্তার বাইরে। এমনকি দলীয় মতাদর্শের বাইরে বিসিএসে নিয়োগও ছিল স্বপ্নের মতো। তখন একটি বিশেষ স্থানের নির্দেশনায় সাংবিধানিক এই প্রতিষ্ঠান পরিচালিত হতো। তাদের তালিকা অনুযায়ী নিয়োগ দেওয়া হতো। মেধা, যোগ্যতা থাকা সত্ত্বেও সরকারবিরোধী রাজনীতিতে সংশ্নিষ্টতার কারণে অনেককেই নিয়োগ বঞ্চিত করা হতো। তা সত্ত্বেও বিএনপি-জামায়াত জোট আমলে নিয়োগ পাওয়া সিভিল, পুলিশসহ অন্যান্য ক্যাডারের কর্মকর্তারা বর্তমান সরকারের আমলে বিভিন্ন সেক্টরে প্রভাব বিস্তার করছেন। তাদের অনেকেই সরকারের নীতিনির্ধারকদের সঙ্গে বেশ সখ্য গড়ে প্রশাসনে দাপিয়ে বেড়াচ্ছেন। পদোন্নতি পেয়ে তারা গুরুত্বপূর্ণ জায়গায়ও চাকরি করছেন।

সংশ্নিষ্টরা বলছেন, সাম্প্রতিক সময়ে পিএসসির কর্মতৎপরতা বেশ বেড়েছে। ২০০১ থেকে ২০০৭ পর্যন্ত প্রতিষ্ঠানটি সাড়ে ১৬ হাজার নিয়োগের সুপারিশ করে। বিপরীতে গত ১০ বছরে পিএসসির মাধ্যমে নিয়োগ পেয়েছেন সাড়ে ৬১ হাজার চাকরি প্রার্থী। আগে একটি ক্যাডারে নিয়োগের ফল প্রস্তুত করতে সময় লাগত তিন থেকে চার মাস, এখন সেখানে সময় লাগছে ১২ থেকে ১৪ দিন।

কেবল সংখ্যাগত পরিবর্তনই নয়, দ্রুত ফল প্রকাশের সফটওয়্যার প্রস্তুত ও ব্যবহারও পাল্টে দিয়েছে পিএসসিকে। করোনা সংকট সামলাতে পিএসসির সফটওয়্যার ব্যবহারের মাধ্যমে মাত্র ৪৮ ঘণ্টায় সাত হাজার ডাক্তার ও নার্স নিয়োগের মতো অসম্ভবকে সম্ভব করা গেছে।

এদিকে বাংলাদেশের সরকারি কর্মকর্তা নিয়োগে কোটা যুগের অবসান হয়েছে। গত ১ জুলাই ৩৮তম বিসিএসের চূড়ান্ত ফল প্রকাশ করেছে পিএসসি। এতে বিভিন্ন ক্যাডারে দুই হাজার ২০৪ জনকে নিয়োগের সুপারিশ করা হবদলে গেছে পিএসসি
প্রকাশ: ২২ ঘণ্টা আগে
facebook sharing button twitter sharing button messenger sharing button whatsapp sharing button sharethis sharing button
ফসিহ উদ্দীন মাহতাব

বদলে গেছে সরকারি কর্মকমিশন (পিএসসি)। সাংবিধানিক এই প্রতিষ্ঠানটি এখন মেধা ও যোগ্যতার ভিত্তিতে ক্যাডার সার্ভিসে মেধাবীদের নিয়োগ দিচ্ছে। অতীতে বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের আমলে দলীয় বিবেচনায় নিয়োগ দেওয়ার অভিযোগ থাকলেও এখন সেটি নেই বললেই চলে। এ কারণে বিভিন্ন মতাদর্শের মেধাবীরা বিসিএস পরীক্ষায় প্রশাসন, পুলিশসহ বিভিন্ন ক্যাডারে নিয়োগ পাচ্ছেন।

সম্প্রতি ক্যাডার সার্ভিসে নিয়োগে কোটা পদ্ধতি উঠিয়ে দিয়েছে পিএসসি। এখন শুধু যোগ্যতার ভিত্তিতে লোক নিয়োগ দেবে পিএসসি। আগে মেধার পরিবর্তে দলীয় মতাদর্শকে প্রাধান্য দেওয়ায় নিয়োগপ্রাপ্তদের নিয়ে জনপ্রশাসনে স্বাধীনতার পক্ষ ও বিপক্ষ বিতর্ক উঠেছে। তার ঢেউ লাগছে এখন জনপ্রশাসনেও। এই বিতর্কের কারণে অনেককে যোগ্যতা থাকা সত্ত্বেও সরকারবিরোধী চিহ্নিত করে পদোন্নতি বঞ্চিত করা হচ্ছে। সংশ্নিষ্টরা বলছেন, শুধু মেধার ভিত্তিতে নিয়োগ হলে ভবিষ্যতে এই বিতর্ক তেমন উঠবে না।

অভিযোগ রয়েছে, বিগত জোট সরকারের আমলে তাদের মতাদর্শের বাইরে কোনো কর্মকর্তার পদোন্নতি ছিল চিন্তার বাইরে। এমনকি দলীয় মতাদর্শের বাইরে বিসিএসে নিয়োগও ছিল স্বপ্নের মতো। তখন একটি বিশেষ স্থানের নির্দেশনায় সাংবিধানিক এই প্রতিষ্ঠান পরিচালিত হতো। তাদের তালিকা অনুযায়ী নিয়োগ দেওয়া হতো। মেধা, যোগ্যতা থাকা সত্ত্বেও সরকারবিরোধী রাজনীতিতে সংশ্নিষ্টতার কারণে অনেককেই নিয়োগ বঞ্চিত করা হতো। তা সত্ত্বেও বিএনপি-জামায়াত জোট আমলে নিয়োগ পাওয়া সিভিল, পুলিশসহ অন্যান্য ক্যাডারের কর্মকর্তারা বর্তমান সরকারের আমলে বিভিন্ন সেক্টরে প্রভাব বিস্তার করছেন। তাদের অনেকেই সরকারের নীতিনির্ধারকদের সঙ্গে বেশ সখ্য গড়ে প্রশাসনে দাপিয়ে বেড়াচ্ছেন। পদোন্নতি পেয়ে তারা গুরুত্বপূর্ণ জায়গায়ও চাকরি করছেন।

সংশ্নিষ্টরা বলছেন, সাম্প্রতিক সময়ে পিএসসির কর্মতৎপরতা বেশ বেড়েছে। ২০০১ থেকে ২০০৭ পর্যন্ত প্রতিষ্ঠানটি সাড়ে ১৬ হাজার নিয়োগের সুপারিশ করে। বিপরীতে গত ১০ বছরে পিএসসির মাধ্যমে নিয়োগ পেয়েছেন সাড়ে ৬১ হাজার চাকরি প্রার্থী। আগে একটি ক্যাডারে নিয়োগের ফল প্রস্তুত করতে সময় লাগত তিন থেকে চার মাস, এখন সেখানে সময় লাগছে ১২ থেকে ১৪ দিন।

কেবল সংখ্যাগত পরিবর্তনই নয়, দ্রুত ফল প্রকাশের সফটওয়্যার প্রস্তুত ও ব্যবহারও পাল্টে দিয়েছে পিএসসিকে। করোনা সংকট সামলাতে পিএসসির সফটওয়্যার ব্যবহারের মাধ্যমে মাত্র ৪৮ ঘণ্টায় সাত হাজার ডাক্তার ও নার্স নিয়োগের মতো অসম্ভবকে সম্ভব করা গেছে।

এদিকে বাংলাদেশের সরকারি কর্মকর্তা নিয়োগে কোটা যুগের অবসান হয়েছে। গত ১ জুলাই ৩৮তম বিসিএসের চূড়ান্ত ফল প্রকাশ করেছে পিএসসি। এতে বিভিন্ন ক্যাডারে দুই হাজার ২০৪ জনকে নিয়োগের সুপারিবদলে গেছে পিএসসি
প্রকাশ: ২২ ঘণ্টা আগে
facebook sharing button twitter sharing button messenger sharing button whatsapp sharing button sharethis sharing button
ফসিহ উদ্দীন মাহতাব

বদলে গেছে সরকারি কর্মকমিশন (পিএসসি)। সাংবিধানিক এই প্রতিষ্ঠানটি এখন মেধা ও যোগ্যতার ভিত্তিতে ক্যাডার সার্ভিসে মেধাবীদের নিয়োগ দিচ্ছে। অতীতে বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের আমলে দলীয় বিবেচনায় নিয়োগ দেওয়ার অভিযোগ থাকলেও এখন সেটি নেই বললেই চলে। এ কারণে বিভিন্ন মতাদর্শের মেধাবীরা বিসিএস পরীক্ষায় প্রশাসন, পুলিশসহ বিভিন্ন ক্যাডারে নিয়োগ পাচ্ছেন।

সম্প্রতি ক্যাডার সার্ভিসে নিয়োগে কোটা পদ্ধতি উঠিয়ে দিয়েছে পিএসসি। এখন শুধু যোগ্যতার ভিত্তিতে লোক নিয়োগ দেবে পিএসসি। আগে মেধার পরিবর্তে দলীয় মতাদর্শকে প্রাধান্য দেওয়ায় নিয়োগপ্রাপ্তদের নিয়ে জনপ্রশাসনে স্বাধীনতার পক্ষ ও বিপক্ষ বিতর্ক উঠেছে। তার ঢেউ লাগছে এখন জনপ্রশাসনেও। এই বিতর্কের কারণে অনেককে যোগ্যতা থাকা সত্ত্বেও সরকারবিরোধী চিহ্নিত করে পদোন্নতি বঞ্চিত করা হচ্ছে। সংশ্নিষ্টরা বলছেন, শুধু মেধার ভিত্তিতে নিয়োগ হলে ভবিষ্যতে এই বিতর্ক তেমন উঠবে না।

অভিযোগ রয়েছে, বিগত জোট সরকারের আমলে তাদের মতাদর্শের বাইরে কোনো কর্মকর্তার পদোন্নতি ছিল চিন্তার বাইরে। এমনকি দলীয় মতাদর্শের বাইরে বিসিএসে নিয়োগও ছিল স্বপ্নের মতো। তখন একটি বিশেষ স্থানের নির্দেশনায় সাংবিধানিক এই প্রতিষ্ঠান পরিচালিত হতো। তাদের তালিকা অনুযায়ী নিয়োগ দেওয়া হতো। মেধা, যোগ্যতা থাকা সত্ত্বেও সরকারবিরোধী রাজনীতিতে সংশ্নিষ্টতার কারণে অনেককেই নিয়োগ বঞ্চিত করা হতো। তা সত্ত্বেও বিএনপি-জামায়াত জোট আমলে নিয়োগ পাওয়া সিভিল, পুলিশসহ অন্যান্য ক্যাডারের কর্মকর্তারা বর্তমান সরকারের আমলে বিভিন্ন সেক্টরে প্রভাব বিস্তার করছেন। তাদের অনেকেই সরকারের নীতিনির্ধারকদের সঙ্গে বেশ সখ্য গড়ে প্রশাসনে দাপিয়ে বেড়াচ্ছেন। পদোন্নতি পেয়ে তারা গুরুত্বপূর্ণ জায়গায়ও চাকরি করছেন।

সংশ্নিষ্টরা বলছেন, সাম্প্রতিক সময়ে পিএসসির কর্মতৎপরতা বেশ বেড়েছে। ২০০১ থেকে ২০০৭ পর্যন্ত প্রতিষ্ঠানটি সাড়ে ১৬ হাজার নিয়োগের সুপারিশ করে। বিপরীতে গত ১০ বছরে পিএসসির মাধ্যমে নিয়োগ পেয়েছেন সাড়ে ৬১ হাজার চাকরি প্রার্থী। আগে একটি ক্যাডারে নিয়োগের ফল প্রস্তুত করতে সময় লাগত তিন থেকে চার মাস, এখন সেখানে সময় লাগছে ১২ থেকে ১৪ দিন।

কেবল সংখ্যাগত পরিবর্তনই নয়, দ্রুত ফল প্রকাশের সফটওয়্যার প্রস্তুত ও ব্যবহারও পাল্টে দিয়েছে পিএসসিকে। করোনা সংকট সামলাতে পিএসসির সফটওয়্যার ব্যবহারের মাধ্যমে মাত্র ৪৮ ঘণ্টায় সাত হাজার ডাক্তার ও নার্স নিয়োগের মতো অসম্ভবকে সম্ভব করা গেছে।

এদিকে বাংলাদেশের সরকারি কর্মকর্তা নিয়োগে কোটা যুগের অবসান হয়েছে। গত ১ জুলাই ৩৮তম বিসিএসের চূড়ান্ত ফল প্রকাশ করেছে পিএসসি। এতে বিভিন্ন ক্যাডারে দুই হাজার ২০৪ জনকে নিয়োগের সুপারিশ করা হয়। এতে কোনো কোটা ছিল না। গত ৪৮ বছর ধরে চলা কোটা পদ্ধতি এর মাধ্যমে শেষ হলো।

জানতে চাইলে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন বলেন, বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের আমলে তাদের মতাদর্শের ছেলেরা বিসিএসে বেশি চাকরি পেয়েছে। শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন বর্তমান সরকারের আমলে সেটি হয়নি। এখন অতীতের মতো দলীয় বিবেচনায় নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে না। পিএসসির চেয়ারম্যান মোহাম্মদ সাদিক বলেন, ৪০তম বিসিএসের বিজ্ঞপ্তি হলেও কোটা পদ্ধতি থাকছে না। তিনি আরও বলেন, এখন থেকে সাধারণ ছেলেমেয়েদের চাকরির সুযোগ আরও বাড়বে।
শ করা হয়। এতে কোনো কোটা ছিল না। গত ৪৮ বছর ধরে চলা কোটা পদ্ধতি এর মাধ্যমে শেষ হলো।

জানতে চাইলে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন বলেন, বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের আমলে তাদের মতাদর্শের ছেলেরা বিসিএসে বেশি চাকরি পেয়েছে। শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন বর্তমান সরকারের আমলে সেটি হয়নি। এখন অতীতের মতো দলীয় বিবেচনায় নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে না। পিএসসির চেয়ারম্যান মোহাম্মদ সাদিক বলেন, ৪০তম বিসিএসের বিজ্ঞপ্তি হলেও কোটা পদ্ধতি থাকছে না। তিনি আরও বলেন, এখন থেকে সাধারণ ছেলেমেয়েদের চাকরির সুযোগ আরও বাড়বে।
য়। এতে কোনো কোটা ছিল না। গত ৪৮ বছর ধরে চলা কোটা পদ্ধতি এর মাধ্যমে শেষ হলো।

জানতে চাইলে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন বলেন, বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের আমলে তাদের মতাদর্শের ছেলেরা বিসিএসে বেশি চাকরি পেয়েছে। শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন বর্তমান সরকারের আমলে সেটি হয়নি। এখন অতীতের মতো দলীয় বিবেচনায় নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে না। পিএসসির চেয়ারম্যান মোহাম্মদ সাদিক বলেন, ৪০তম বিসিএসের বিজ্ঞপ্তি হলেও কোটা পদ্ধতি থাকছে না। তিনি আরও বলেন, এখন থেকে সাধারণ ছেলেমেয়েদের চাকরির সুযোগ আরও বাড়বে।
শের সরকারি কর্মকর্তা নিয়োগে কোটা যুগের অবসান হয়েছে। গত ১ জুলাই ৩৮তম বিসিএসের চূড়ান্ত ফল প্রকাশ করেছে পিএসসি। এতে বিভিন্ন ক্যাডারে দুই হাজার ২০৪ জনকে নিয়োগের সুপারিশ করা হয়। এতে কোনো কোটা ছিল না। গত ৪৮ বছর ধরে চলা কোটা পদ্ধতি এর মাধ্যমে শেষ হলো।

জানতে চাইলে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন বলেন, বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের আমলে তাদের মতাদর্শের ছেলেরা বিসিএসে বেশি চাকরি পেয়েছে। শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন বর্তমান সরকারের আমলে সেটি হয়নি। এখন অতীতের মতো দলীয় বিবেচনায় নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে না। পিএসসির চেয়ারম্যান মোহাম্মদ সাদিক বলেন, ৪০তম বিসিএসের বিজ্ঞপ্তি হলেও কোটা পদ্ধতি থাকছে না। তিনি আরও বলেন, এখন থেকে সাধারণ ছেলেমেয়েদের চাকরির সুযোগ আরও বাড়বে।
। এতে কোনো কোটা ছিল না। গত ৪৮ বছর ধরে চলা কোটা পদ্ধতি এর মাধ্যমে শেষ হলো।

জানতে চাইলে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন বলেন, বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের আমলে তাদের মতাদর্শের ছেলেরা বিসিএসে বেশি চাকরি পেয়েছে। শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন বর্তমান সরকারের আমলে সেটি হয়নি। এখন অতীতের মতো দলীয় বিবেচনায় নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে না। পিএসসির চেয়ারম্যান মোহাম্মদ সাদিক বলেন, ৪০তম বিসিএসের বিজ্ঞপ্তি হলেও কোটা পদ্ধতি থাকছে না। তিনি আরও বলেন, এখন থেকে সাধারণ ছেলেমেয়েদের চাকরির সুযোগ আরও বাড়বে।
হাজার চাকরি প্রার্থী। আগে একটি ক্যাডারে নিয়োগের ফল প্রস্তুত করতে সময় লাগত তিন থেকে চার মাস, এখন সেখানে সময় লাগছে ১২ থেকে ১৪ দিন।

কেবল সংখ্যাগত পরিবর্তনই নয়, দ্রুত ফল প্রকাশের সফটওয়্যার প্রস্তুত ও ব্যবহারও পাল্টে দিয়েছে পিএসসিকে। করোনা সংকট সামলাতে পিএসসির সফটওয়্যার ব্যবহারের মাধ্যমে মাত্র ৪৮ ঘণ্টায় সাত হাজার ডাক্তার ও নার্স নিয়োগের মতো অসম্ভবকে সম্ভব করা গেছে।

এদিকে বাংলাদেশের সরকারি কর্মকর্তা নিয়োগে কোটা যুগের অবসান হয়েছে। গত ১ জুলাই ৩৮তম বিসিএসের চূড়ান্ত ফল প্রকাশ করেছে পিএসসি। এতে বিভিন্ন ক্যাডারে দুই হাজার ২০৪ জনকে নিয়োগের সুপারিশ করা হয়। এতে কোনো কোটা ছিল না। গত ৪৮ বছর ধরে চলা কোটা পদ্ধতি এর মাধ্যমে শেষ হলো।

জানতে চাইলে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন বলেন, বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের আমলে তাদের মতাদর্শের ছেলেরা বিসিএসে বেশি চাকরি পেয়েছে। শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন বর্তমান সরকারের আমলে সেটি হয়নি। এখন অতীতের মতো দলীয় বিবেচনায় নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে না। পিএসসির চেয়ারম্যান মোহাম্মদ সাদিক বলেন, ৪০তম বিসিএসের বিজ্ঞপ্তি হলেও কোটা পদ্ধতি থাকছে না। তিনি আরও বলেন, এখন থেকে সাধারণ ছেলেমেয়েদের চাকরির সুযোগ আরও বাড়বে।

শেয়ার করুন




গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের তথ্য মন্ত্রণালয়ের অধীনে বিধি মোতাবেক আবেদিত
Design & Developed BY ThemesBazar.Com